আজ রবিবার, , ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ইং

গ্রন্থমেলায় ‘অনুপ্রাণন’-এর চতুর্দশ সংখ্যা

 প্রকাশিত: ২০১৬-০২-২৩ ০১:১৩:৪০

সাহিত্য ডেস্ক:

‘অনুপ্রাণন’-এর চতুর্দশ সংখ্যা অর্থাৎ পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা (ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল ২০১৬, ফাল্গুন ১৪২২- বৈশাখ ১৪২৩) একুশে গ্রন্থমেলা সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। শিল্প ও সাহিত্যের এ ত্রৈমাসিকটি বাংলা একাডেমি বহেরাতলায় লিটলম্যাগ চত্বরে অনুপ্রাণন-এর স্টলে (৩৫) এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে 'অনুপ্রাণন প্রকাশনে-এর স্টলে (স্টল নম্বর-২৬৮)।

প্রতিবারের মত এ সংখ্যায়ও থাকছে প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, বিশ্ব সাহিত্য সহ নিয়মিত সব বিভাগ।

প্রবন্ধ বিভাগে আছে- এহসান হায়দার-এর যে কবির গ্রামের নাম পৃথিবী। ফজলুল আলমের লেখার শিরোনাম সাহিত্য বিতর্ক : অপাঠ্য সাহিত্য বা সাহিত্যের জঞ্জাল। ফরিদ আহমেদ লিখেছেন নীল দর্পণ এবং একজন পাদ্রির জন্য তর্পণ। জিবলু রহমান লিখেছেন একুশে ফেব্রুয়ারি’র গানের প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ এবং কামরুল ইসলাম লিখেছেন কবিতার নিরালম্ব স্রোতে শিরোনামের প্রবন্ধ।

অনুপ্রাণন এ সংখ্যার নির্বাচিত কবিগণ হলেন- অপরাহ্ণ সুসমিতো, মিজানুর রহমান বেলাল, অনন্য কামরুল, আহমেদ মেহেদী হাসান নীল এবং শিমুল জাবালি। তাঁদের একগুচ্ছ কবিতার পাশাপাশি কবিতা ভাবনাও প্রকাশিত হয়েছে।

এছাড়াও এ সংখ্যায় যাদের কবিতা স্থান পেয়েছে তারা হলেন- শামসেত তাবরেজী, সোহরাব পাশা, সানজিদা রহমান, শাফিনূর শাফিন, আনজুম সানি, অসীম সাহা, আবু মো. রাশেদ, ইফতেখার হালিম, অহনা নাসরিন, নীলিম রাসেল ও তোফায়েল তফাজ্জল।

এছাড়াও গুচ্ছ কবিতা শিরোনামে মলাটবদ্ধ কবিরা হলেন- জাহিদ হায়দার, মাসুদুজ্জামান, মাসুদার রহমান, চন্দনকৃষ্ণ পাল, শামীম হোসেন, শাপলা সপর্যিতা, তানভীর আহমেদ হৃদয়, শামীম সাঈদ ও মাহমুদ নোমান।

অনুপ্রাণন এ সংখ্যায় ১১টি কবিতা স্থান পেয়েছে। লিখেছেন- কবীর রানা (প্রমি রায় যদি সাধুপাড়ায় থাকে), গওহর গালিব (প্রেমিক এবং একটি বাছুরের গল্প), সুজন হাজারী (কিস্তি ফেলাপির জোড়া লাশ), শরীফ শামিল (প্যান্ডেরার দ্বিতীয় বাক্স), মিলন বনিক (পৌষ পার্বণের মেলা), শফিক হাসান (সমীকরণহীন), প্রবুদ্ধ বাগচী (গোত্রহীন), শহীদ সারওয়ার আলো (কামকুহকিনী), মুর্শিদা জামান (জগন্নাথ মিষ্টান্ন ভান্ডার), হাসান মাহমুদ রাব্বি (চেনা মুখোশ, অচেনা মুখ) ও আবু রাশেদ পলাশ (অনাহুত অমাবস্যা)।

বই আলোচনা করেছেন- আনা ঋতু (মুক্তিযুদ্ধের খণ্ডচিত্র পাঠ পর্যালোচনা) ও সকাল রয় (আজ তবে তাই হোক, জ্যোস্না ছুঁয়ে কলরব হোক)।

বিশ্ব সাহিত্য বিভাগে লিখেছেন- মাসুদ পারভেজ (আলব্যের ক্যামু, ‘দ্য প্লেগ’ ও কলোনির মানুষ), জামাল এ. নাসের চৌধুরী (অনুবাদ: সমারসেট মম ‘মা’) ও ফারহানা রহমান (ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা বিষাদগ্রস্ত আত্মার উপাখ্যান)

চলচ্চিত্র বিভাগে লিখেছেন সান্তা রিকি। এছাড়া ইতিহাস/ঐতিহ্য নিয়ে লিটন আব্বাস-এর লেখার শিরোনাম ঊনিশ শতকের আলোকিত সংবাদপত্র “গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা” ও ঐতিহাসিক এম.এন প্রেস।

শহীদুল জহিরের গল্পের নাট্যমঞ্চায়ন: একটি শিল্পতাত্ত্বিক পর্যালোচনা লিখেছেন আবু সাঈদ তুলু এবং ঝরা পাতার গান শিরোনামে মুক্তগদ্য লিখেছেন শাশ্বত স্বপন।

অনুপ্রাণন ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে উপন্যাস লিখেছেন সোলায়মান সুমন। অন্ধযাত্রা শিরোনামের উপন্যাসের অংশ থাকছে এ সংখ্যায়ও।

একুশে গ্রন্থমেলার পর থেকে যথারীতি পাওয়া যাবে বি-৬৪ ও বি-৫৩ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ ড. কুদরত-এ-খুদা সড়ক ( এ্যালিফেন্ট রোড) কাঁটাবন, ঢাকায় অবস্থিত অনুপ্রাণন'এর প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্রে।

এছাড়াও যথারীতি ঘরে বসে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে পাওয়া যাবে অনুপ্রাণন-এর এই সংখ্যাটি অথবা আগের সংখ্যাগুলোর যে কোনটা অথবা অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত যে কোন বই। সেক্ষেত্রে ফোনে (০১৭৬৬৬৮৪৪৩৬) অর্ডার করা যাবে, এসএমএস -এর মাধ্যমে ঠিকানা পাঠিয়ে।

চার রঙা প্রচ্ছদ এবং এ-৪ সাইজে'এ ১৬ ফর্মায় ছাপা অনুপ্রাণন'এর চতুর্দশ সংখ্যার মূল্য হচ্ছে ১০০ টাকা।

আপনার মন্তব্য