আজ রবিবার, , ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ইং

ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়ে লেখা উচিত নয় : ইমদাদুল হক মিলন

 প্রকাশিত: ২০১৬-০২-২৭ ০০:৫৬:৩৪

সিলেটটুডে ডেস্ক:

জনপ্রিয় লেখক ইমদাদুল হক মিলন বলেছেন, ‘সব লেখকের উচিত এমনভাবে লেখা, যাতে মানুষের ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আঘাত দেয়া না হয়ে যায়। আমি এর বিপক্ষে। ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়ে লেখা উচিত নয়।’

শুক্রবার বইমেলায় এসে এমন মন্তব্য করেন মিলন।
এসময় তিনি অভিজিৎ রায় হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘অভিজিতের কথা ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যায়। এখনও বিচার হলো না, এখনও এ মামলাটির অগ্রগতি হলো না, এ খুবই দুঃখজনক। যত দ্রুত সম্ভব এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত।’

শুক্রবার বইমেলায় অভিজিৎ রায়কে স্মরণ করা হয়। বিকেল ৪টায় এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে স্মরণ করা হয় অভিজিৎকে। এক মিনিটের জন্য যে যেখানে ছিলেন সেখানে দাঁড়িয়েই স্মরণ করেন প্রয়াত ওই বিজ্ঞানলেখককে।

গতবছর বইমেলার ২৬তম দিনে মেলা থেকে ফেরার পথে উগ্রবাদীদের চাপাতির কোপে নির্মমভাবে নিহত হন লেখক অভিজিৎ রায়। এ সময় সঙ্গে থাকা তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও গুরুতর জখম হন। চাপাতির কোপে তিনি হারান একটি আঙুল। এ ছাড়া ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে কোনোরকমে প্রাণে বাঁচেন তিনি।

গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অভিজিৎ রায়কে স্মরণ করে একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘মৌলবাদী- সাম্প্রদায়িক চক্র মুক্তবুদ্ধির লেখকদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে অন্ধকারের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।’ তিনি অভিজিৎ হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

প্রকাশনা সংস্থা শুদ্ধস্বর অভিজিৎ রায়ের চারটি বই প্রকাশ করেছিল। দুটি একক ও দুটি যৌথ লেখা। বই চারটি হলো ‘সমকামিতা’ ও ‘ভালোবাসা কারে কয়’ এবং ‘অবিশ্বাসের দর্শন’, ‘শূন্য থেকে মহাবিশ্ব’। স্টলের সামনেই সাজানো ছিল বইগুলো। কিছু বইতে দেখা গেল বৃষ্টিতে ভেজার দাগ। অভিজিৎ স্মরণে এ স্টলের দেয়ালে সেঁটে দেয়া হয়েছে দুইটি ছোট্ট ব্যানার। একটি লেখা ‘জাস্টিস ফর অভিজিৎ’ অপরটিতে ‘ওয়ার্ডস ডোন্ট কিল, পিপল ডু’।

আপনার মন্তব্য