আজ শুক্রবার, , ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং

সিলেটটুডে অনলাইন ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৩:৫৫

দেশের ৪৩ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাকসেবী

দেশের ৪৩ দশমিক ৩ ভাগ (৪১.৩ মিলিয়ন) প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে তামাকের ভয়াবহ প্রভাব হতে মুক্ত রাখতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তবে স্থায়ীত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ। এ সকল চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে প্রয়োজন সমন্বিত কার্যক্রম ও যথাযথ উদ্যোগ।

২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে সরকার সকল তামাকজাত দ্রব্যের উপর শতকরা ১ ভাগ সারচার্জ আরোপ করেছে। কিন্তু দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও নীতিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘দীর্ঘস্থায়ী তামাক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট এই সেমিনারের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) এর সভাপতি ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের উপদেষ্টা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেন, স্থায়ীত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সারচার্জের অর্থে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি গ্রহণ করা জরুরি।  এ ছাড়া সারচার্জ ব্যবস্থাপনা নীতিটি চূড়ান্তকরণে তার সমর্থন থাকবে বলে জানান।

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেন, শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোও এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট-এর কর্মসূচি ব্যবস্থাপক সৈয়দা অনন্যা রহমান।  সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল’র সমন্বয়কারী মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, ‘দ্য ইউনিয়ন’ এর কারিগরি উপদেষ্টা সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট-এর পরিচালক গাউস পিয়ারী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

তথ্যসূত্র . ইত্তেফাক।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত