আজ বুধবার, , ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০১:২৪

র‍্যাম্প মডেল থেকে ‘জঙ্গি কমান্ডার’

রাজধানীতে গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি নেতা ইমাম মেহেদী হাসান ওরফে আবু জিবরিল  র‌্যাম্প মডেল হওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালে সারোয়ার-তামিম গ্রুপের ঢুকে পাল্টে যায় তার জীবন। র‌্যাম্প মডেল থেকে হয়ে ওঠেন জেএমবির ‘ব্রিগেড আদ-দার-ই কুতনি’র কমান্ডার।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, 'মেহেদী হাসানের বাবার নাম খোরশেদ আলম। তার বাড়ি পটুয়াখালির বাউফলের রাজাপুরে, তিনি দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করেছেন। বিবিএ সম্পন্ন করার পর কিছুদিন  র‌্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেন। ২০১৫ সালে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন।

তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, '২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর র‌্যাবের অভিযানে পালাতে গিয়ে নিহত হন জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের তৎকালীন আমির সারোয়ার জাহান ওরফে মানিক ওরফে আবু ইব্রাহিম আল হানিফ। এই বাসা থেকে জেএমবির দুটি অপারেশনাল ব্রিগেড বদর স্কোয়াড ও ব্রিগেড আদ-দার-ই-কুতনী সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে বদর ব্রিগেড রাজধানীর হলি আর্টিজানসহ বিভিন্ন হামলায় ভূমিকা রাখে। তবে দেশব্যাপী জঙ্গিবিরোধী অভিযানে বদর ব্রিগেডের বেশির ভাগ সদস্য নিহত ও আটক হয়। এতে ব্রিগেডটি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ব্যাকআপ ব্রিগেড হিসেবে আদ্-দার-ই-কুতনী সদস্য সংগ্রহ করে শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করে।

র‌্যাবের সিও বলেন, 'সারোয়ার-তমিম গ্রুপের উচ্চ ও নিম্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মেহেদীর যোগাযোগ ছিল। তার সঙ্গে বাংলাদেশি প্রবাসীদেরও যোগাযোগ ছিল। তার মাধ্যমে অনেক সময় জঙ্গিবাদের অর্থ এসেছে বলে জানতে পেরেছি।

বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার একটি বাড়ি থেকে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব -৩-এর একটি দল। তার কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ, একটি মোবাইল ফোন, একটি পাসপোর্ট, উগ্রবাদী বইসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত