আজ সোমবার, , ২০ নভেম্বর ২০১৭ ইং

নিউজ ডেস্ক

১৩ নভেম্বর, ২০১৭ ১১:৩০

ইতালির বাঁচা-মরার লড়াই আজ

এরই মধ্যে প্লে-অফের প্রথম লেগে সুইডেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে ইতালি। শুক্রবার রাত থেকে তাই থমথমে গোটা ইতালি। হাসি নেই কারও মুখে। বিশ্বকাপের ট্রেন মিসের শঙ্কা যেন দেশটির স্নায়ু বিকল করে দিয়েছে।

ঘুরে দাঁড়ানোর আর মাত্র একটি সুযোগই আছে তাদের সামনে। সেটা কাজে লাগাতে না পারলে ইতালিবিহীন বিশ্বকাপের শঙ্কা রূপ নেবে বাস্তবে।

মিলানের সান সিরোতে প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে আজ সুইডেনের বিপক্ষে অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে জিততে হবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ানদের।

অন্যথায় ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ ‘দর্শক’ হয়েই দেখতে হবে তাদের! নিজেদের আঙিনায় খেলা বলেই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা ছাড়ছে না ইতালি।

ভরা সান সিরোতে আজ্জুরিদের সমর্থনে গলা ফাটাবে প্রায় ৬৫ হাজার দর্শক।

তবে সমর্থকরা অগ্নিপরীক্ষায় পার করে দেবে দলকে, এমন আশায় বুক বাঁধতে নারাজ সদ্য অবসরে যাওয়া ইতালিয়ান কিংবদন্তি আন্দ্রে পিরলো, ‘আসল কাজটা করে দেখাতে হবে খেলোয়াড়দেরই। গ্যালারির আবহ যেমনই হোক, সান সিরো কিন্তু গোল করবে না। আমি কখনও গ্যালারির কোনো সমর্থককে গোল করতে দেখিনি।’

সেটা তারা ভাবতেই পারে। আগের ২০টি বিশ্বকাপের ১৮টিতেই খেলেছে ইতালি। ছয়বার ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চারবার। সেই ইতালিই কিনা ৬০ বছর পর বাছাইপর্ব থেকে বাদ পড়ার মুখে!
 
ইতালিকে ছাড়া সর্বশেষ বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৯৫৮ সালে। নিজেদের এমন দুরবস্থার জন্য প্রথম লেগের পক্ষপাতদুষ্ট রেফারিংকে দায়ী করেছেন কোচ ভেনচুরা। কিন্তু ইতালির গণমাধ্যম আর কোনো অজুহাত শুনতে চায় না।
 
দেশটির ক্রীড়া দৈনিক ‘তুত্তোস্পোর্ট’ লিখেছে, ‘আর কোনো অজুহাত নয়, এখন আমাদের ঐতিহাসিক লজ্জা এড়াতে হবে।’

সেটা এড়াতে না পারলে আজকের ম্যাচটিই ইতালির কিংবদন্তি গোলকিপার গিয়ানলুইগি বুফনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তিরেখা হয়ে যাবে।
 
১৯৯৮ বিশ্বকাপের প্লে-অফে রাশিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে যাত্রা শুরু হয়েছিল বুফনের।
 
দুই দশক পর আরেকটি প্লে-অফ পরীক্ষায় উতরে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন বুফনের চোখে, ‘আমি এটাকে বাঁচা-মরার ম্যাচ ভাবতে চাই না। আশা করি, ভরা সান সিরো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে যেতে আমাদের সাহায্য করবে। এজন্য মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। কিছুতেই আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। আত্মবিশ্বাস না থাকলে হারার আগেই আপনি হেরে যাবেন।’

আপনার মন্তব্য

আলোচিত