আজ বৃহস্পতিবার, , ২৫ মে ২০১৭ ইং

রাগীব আলীর মামলা : সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি, পরবর্তী তারিখ ১৭ জানুয়ারি

তারাপুর চা বাগান দখল ও জালিয়াতি মামলা

প্রকাশিত: ২০১৭-০১-১১ ২১:১৮:৩৭

   আপডেট: ২০১৭-০১-১১ ২১:২৪:২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তি আত্মসাতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতির মামলায় কথিত দানবীর রাগীব আলীর পক্ষে সাফাই সাক্ষীর নির্ধারিত দিন বুধবার (১১ জানুয়ারি) কোন সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় গ্রহণ করা যায়নি সাফাই সাক্ষী।

তবে আসামী পক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাফাই সাক্ষীর পরবর্তী দিন আগামী ১৭ জানুয়ারি (বুধবার) নির্ধারণ করেন আদালত।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মাহফুজুর রহমান জানান, আত্মসাৎ মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে সরকারের পদস্থ তিন কর্মকর্তার একজন মামলার বাদী ও অন্য দুজন তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

তিনি বলেন, বুধবার সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে উপস্থিত হয়ে দুই সাফাই সাক্ষীর নাম দাখিল করে সময়ের আবেদন করলে আদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

ওই দিন সাফাই সাক্ষ্য দিতে আদালতে সাক্ষীরা হাজির না হলে ওই দিন থেকেই আলোচিত এ মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হবে বলে জানান তিনি। এরপর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান কৌসুলি মাহফুজুর রহমান।

১৯৯০ সালে ভুয়া সেবায়েত সাজিয়ে তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তি দখল নেন রাগীব আলী। বাগানের একাংশে রাগীব আলী ও তাঁর স্ত্রীর নামে মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজ স্থাপন করেন।

দেবোত্তর সম্পত্তির চা-বাগান বন্দোবস্ত নেওয়া ও চা-ভূমিতে বিধিবহির্ভূত স্থাপনা করার অভিযোগে ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আবদুল কাদের বাদী হয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতি ও সরকারের এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুটো মামলা করলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে নিষ্পত্তি করে পুলিশ।

১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রায়ে মামলা দুটো পুনরুজ্জীবিত করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই মামলায় গত ১০ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হলে ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। ওই দিনই পালিয়ে ভারতের করিমগঞ্জ চলে যান রাগীব আলী ও তাঁর ছেলে।

গত ২৩ নভেম্বর ভারতের করিমগঞ্জ ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন রাগীব আলী। ওই দিনই তাঁকে দেশে পাঠানো হলে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ১২ নভেম্বর ভারত থেকে জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন হয়ে দেশে ফেরার সময় আবদুল হাই গ্রেপ্তার হন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত