আজ সোমবার, , ২৬ জুন ২০১৭ ইং

মাধবপুরে জনতা ব্যাংকে ঋণ বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১৮ ১৯:১১:২২

   আপডেট: ২০১৭-০৬-১৮ ২৩:৫১:৩৩

মাধবপুর প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সদরে জনতা ব্যাংকে ঋণ বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের মীরনগর গ্রামের কৃষক মো. সেলিম মিয়া। জনতা ব্যাংকের মহা ব্যবস্থাপক সহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।

মো. সেলিম মিয়া তার লিখিত অভিযোগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেন জনতা ব্যাংক মাধবপুর সদর শাখা এখন দালাল নির্ভর হয়ে পড়েছে। দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না। ঋণ নিতে গেলেও দালালের মাধ্যমে যেতে হয়। ব্যাংকে চিহ্নিত কয়েকজন দালাল রয়েছে। যারা কৃষকদের বুজিয়ে ব্যবস্থাপকের কাছে নিয়ে যান। জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মনোরঞ্জন দাস ও আইও (অনুসন্ধান কর্মকতা) মোঃ সুলতান মিয়া মিলে সাধারণ কৃষকদের কাছ থেকে ঋণের নামে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করছেন।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার খাটুরা গ্রামের মোঃ নুর ইসলামের মেয়ে মোছা. রত্মা বেগমের ভোটার আইডি কার্ড জনতা ব্যাংকের জমা দিয়ে খাটুরা গ্রামের উনু মিয়ার মেয়ে মোছা: বাহারা বেগম স্বাক্ষর দিয়ে ৯ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছে। খাটুরা গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী মোছা. আম্বিয়া খাতুনের নামে খাতা পত্রে ৩০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মঞ্জুর হয়। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মাত্র ৯ হাজার টাকা। বাকি টাকা দালাল ও ব্যাংকের লোকজন ভাগ বাটোয়ারা করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

উপজেলার জগদীশপুর ও নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শত শত কৃষকের নামে মোটা অংকের টাকা অনাদায়ী ঋণ রয়েছে। এই অনাদায়ী টাকা আদায়ের নামে চলছে নানা অনিয়ম। অনেক সাধারণ কৃষক রিকবারি ঋণের জালে বন্দি হয়েছেন। যাদের নামে রিকবারী ঋণ মঞ্জুর হয়েছে তাদের কোন রশিদ দেওয়া হয়না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে জনতা ব্যাংক মাধবপুর শাখার ব্যবস্থাপক মনোরঞ্জন দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এ অভিযোগ গুলো সত্য নয় বলে জানান তিনি।

হবিগঞ্জ জনতা ব্যাংকের উপ- মহাব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত