আজ সোমবার, , ২৭ মার্চ ২০১৭ ইং

আ.লীগে নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত জাসদ নেতা

প্রকাশিত: ২০১৭-০১-১২ ০০:৩৯:২০

সিলেটটুডে ডেস্ক

কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিএনপি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম লুৎফর রহমান সাবু (৫০)।

বুধবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের গোরস্তানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লুৎফর রহমান সাবু হালসা বাজার থেকে মোটর সাইকেল নিয়ে আলমডাঙা উপজেলায় যাচ্ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে আমবাড়িয়ার হালসা গোরস্তানের কাছে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা গতিরোধ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবু গত ইউপি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। হত্যাকাণ্ডের পর জাসদ সমর্থিত আমবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলনের বাড়িতে আগুন দেয় স্থানীয়রা।

মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন জানান, জাসদের লোকজন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সাবু হত্যার প্রতিবাদে আগামি রোববার মিরপুর উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকা হয়েছে।

নিহতের ভাই মো. হাবিব দাবি করেছেন, বিএনপি থেকে সাবু আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া মেনে নিতে পারেননি আমবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাসদ নেতা মশিউর রহমান মিলন। এ কারণে মিলন পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে (সাবু) হত্যা করিয়েছে। এ কারণে উত্তেজিত লোকজন চেয়ারম্যানের বাড়িতে আগুন দেয়।

তবে জাসদ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'ঘটনার সময় আমি উপজেলা সদরে উন্নয়ন মেলায় ছিলাম।  তাছাড়া সাবুর সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।'

উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, 'বিএনপি নেতা সাবু হত্যার সঙ্গে জাসদের কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। জাসদ এসব নোংরা রাজনীতি করে না। আমরাও চাই তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করা হোক।'

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জালাল উদ্দিন বলেন, 'সাবু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কি কারণে কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।'

আপনার মন্তব্য

আলোচিত