আজ সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং

প্রসঙ্গ তিন সিটি করপোরেশান নির্বাচন : টক-ঝাল-মিষ্টি, পর্ব-১

 প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-২৯ ২২:২৮:০৩

লেখক : রেজা ঘটক

গতকাল (২৮ এপ্রিল) তিন সিটি করপোরেশানে নির্বাচন হয়ে গেল। ইতোমধ্যে নির্বাচনের রেজাল্টও বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়ে গেছে। তো নতুন কথা বলার আগে কিছু পরিসংখ্যানে একটু নজর বুলিয়ে নেওয়া যাক।

ঢাকা সিটি করপোরেশান উত্তর:
আয়তন প্রায় ৬২.৬৩৮ বর্গ কিলোমিটার। প্রশাসনিক জোন ৫ টি।মোট প্রশাসনিক ওয়ার্ড সংখ্যা ৩৬ টি। মেয়র প্রার্থী ১৬ জন। কাউন্সিলর সাধারণ আসনে ২৭৭ জন। কাউন্সিলর সংরক্ষিত আসনে ৮৮ জন। সাধারণ ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩৬টি। সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সংখ্যা ১২টি। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১০৯৩টি। কেন্দ্রে মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ৫৮৯২টি। কোন অস্থায়ী ভোট কেন্দ্র নেই। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ২৭৭টি। মোট ভোটার সংখ্যা ২৩,৪৫,৩৭৪ জন। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১২,২৪ ৭০১ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ১১ ২০,৬৭৩ জন।



ঢাকা উত্তরের ১৬ জন মেয়র প্রার্থীরা হলেন: আনিসুল হক, মাহী বদরুদ্দোজা চৌধুরী, তাবিথ আউয়াল, শামছুল আলম চৌধুরী, চৌধুরী ইরাদ আহমদ সিদ্দিকী, আব্দুল্লাহ আল ক্কাফী, এওয়াইএম কামরুল হাসান, বাহাউদ্দিন আহমেদ, নাদের চৌধুরী, কাজী শহীদুল্লাহ, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, আনিসুজ্জামান খোকন, জামান ভূঞা, শেখ শহিদুজ্জামান, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক)এবং শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

প্রশ্ন: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশানে ১৬ জন মেয়র প্রার্থীর ১০৯৩টি ভোটকেন্দ্রের ৫৮৯২টি ভোটকক্ষে কতজন মেয়র প্রার্থী পোলিং এজেন্ট দেবার সামর্থ রাখেন?

মন্তব্য: আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক এবং বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ছাড়া আর কোনো মেয়র প্রার্থীর প্রতিটি ভোটকক্ষে একজন করে পোলিং এজেন্ট দেবার মত সামর্থই ছিল না। অন্য মেয়র প্রার্থীরা যতই হেভিওয়েট হোক না কেন, এটাই হল আসল কথা। কারণ অন্য অনেক মেয়র প্রার্থীর ৫৮৯২ জন সমর্থকই ছিল না যাদের পোলিং এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেবেন। অনেক মেয়র প্রার্থী ৫৮৯২টি ভোট পর্যন্ত পায়নি।



প্রতিটি ভোটকক্ষে একজন করে পোলিং এজেন্ট দেবার মত যাদের সামর্থ্য নেই, তাদের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়া এক ধরনের ধৃষ্টতা। রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল।



ঢাকা উত্তরের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাননি। বরং বিএনপি'র রাজনৈতিক কৌশলের কাছেই বলি হয়ে তিনি ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নইলে সবগুলো ভোটকেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার কথা ছিল।



বিএনপি'র সকল পোলিং এজেন্টদের প্রতি মওদুদীয় সুত্রে একটি অদৃশ্য নির্দেশ ছিল, আগের রাতের অবস্থা বুঝে যেন তারা ভোটকেন্দ্রে যায়। বিএনপি'র স্থানীয় নেতারা পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেছিল। যার প্রমাণ সংবাদপত্রেই খবর আকারে এসেছে। যে সকল এজেন্ট সেই খবর পায়নি, তারা অটোমেটিক ভোটকেন্দ্রে গেছেন। এবং বিএনপি নির্বাচন বর্জন করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে ছিলেন। অনেক এজেন্ট ভোট বর্জনের পরেও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেছেন।



বিএনপি'র কৌশলটি ছিল, ভোট শুরু হবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজেদের সমর্থকদের ভোট দ্রুত কাস্ট করা। সবাই যাতে বেলা এগারোটার মধ্যে ভোট কাস্ট করে এমন নির্দেশ ছিল। বিএনপি হাইকমান্ডের সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সমর্থকরা নিজেদের ভোট কাস্ট করেছেন। তারপর যখন ভোট বর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসল, তখন স্বাভাবিক কারণে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রাথীর ভোটারদের মধ্যে একধরনের উদাসীনতা আসবে। দুপুর বারোটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত তারা নিজেদের ভোট কাস্ট করায় এক ধরনের গা-ছাড়া ভাব দেখাবে। এই সুযোগে বিএনপি'র প্রার্থী কাস্টিং ভোটে এগিয়ে যাবে। বিএনপি'র এই কৌশলটি বরিশাল ও রাজশাহী সিটি নির্বাচনে সফল হয়েছিল। যেটি ঢাকা উত্তর সিটিতে ব্যর্থ হয়েছে।



এবার আসুন, নির্বাচনী ফলাফলটা দেখি:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল হক। ১০৯৩ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে আনিসুল হক পেয়েছেন ৪ লাখ ৬০ হাজার ১১৭ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত তাবিথ আউয়াল বাস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ লাখ ২৫ হাজার ৮০ ভোট।



ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে অন্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ (কমলা লেবু) ১৮০৫০, মাহী বি চৌধুরী (ঈগল) ১৩৪০৭, জোনায়েদ সাকি (টেলিস্কোপ) ৭৩৭০, কাজী মো. শহীদুল্লাহ (ইলিশ) ২৯৬৮, বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল (চরকা) ২৯৫০, কাফি রতন (হাতি ) ২৪৭৫, নাদের চৌধুরী (ময়ূর) ১৪১২, এ ওয়াই এম কামরুল ইসলাম (ক্রিকেট ব্যাট) ১২১৬, মো. জামান ভূঞা (টেবিল) ১১৪০, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ (ফ্লাক্স) ১০৯৫, শামছুল আলম চৌধুরী (চিতাবাঘ) ৯৮২, শেখ শহিদুজ্জামান (দিয়াশলাই) ৯২৩ ভোট, চৌধুরী ইরাদ আহম্মদ সিদ্দিকী (লাউ) ৯১৫ ও মো. আনিসুজ্জামান খোকন (ডিশ এন্টেনা) ৯০০ ভোট পেয়েছেন।



মোট ১৬ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বীতা দেখা গেছে আনিসুল হক ও তাবিথ আউয়ালের মধ্যে। বিএনপি ভোট বর্জন না করলে তাবিথ আউয়ালের ভোট সংখ্যা হয়তো সামান্য কিছু বাড়তো। কিন্তু সেক্ষেত্রে আনিসুল হকের ভোট আরো বেশি বাড়তো। কারণ, তখন আওয়ামীলীগের যারা ইচ্ছে করে আর দুপুর বারোটার পর ভোট দিতে যায়নি, তারাও ভোট দিতে যেত। সেক্ষেত্রে প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান আরো বাড়তো।



বাংলাদেশে যে কোনো নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল, ভোট ছিনতাই, মারামারি, হামলা, জোর করে ব্যালট পেপারে সিল মারা, এ সব বিষয় আমলে নিলেও মেয়র নির্বাচনে এই ফলাফলের কোনো পরিবর্তন হতো না। কারণ, হু ইজ তাবিথ আউয়াল? বিএনপি'র আসল মেয়র প্রার্থী ছিল আবদুল আউয়াল মিন্টু। যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নমিনেশান পেপার বাতিল করার কৌশল নিয়েছিলেন। যাতে তার ছেলে লাইমলাইটে আসে।



তাবিথ আউয়ালের নাম আমি সিটি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত শুনিনি। এছাড়া বিএনপি'র থিংকট্যাংক খ্যাত প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ যার নেতৃত্বে বিএনপি মূলত সিটি নির্বাচনে আসলো, আবদুল আউয়াল মিন্টুর নমিনেশান বাতিল হবার পর তিনি সমর্থন করেছিলেন বিকল্পধারার প্রার্থী মাহী বি চৌধুরীকে। মানে বিএনপি'র পুরো সমর্থন তাবিথ আউয়াল শুরু থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত পায়নি।



বাংলাদেশে নির্বাচন হবে আর কোনো ভোটকেন্দ্রেই হামলা, মারামারি, কেন্দ্রদখল এসব ঘটবে না, এটা যারা আশা করেন, তাদের বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কেই ধারণা নেই। বিএনপি ভোটে না আসলেও আওয়ামীলীগ সমর্থক ও তাদের বিদ্রোহী প্রাথীদের সমর্থকদের মধ্যেও এই ঘটনা ঘটত। যা সামাল দেবার মত সক্ষমতা এখনো বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের হয়নি।



ঢাকা উত্তর সিটিতে প্রার্থী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ বিএনপি'র তুলনায় শুরু থেকেই এগিয়ে ছিল, যা ভোটের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আনিসুল হককে এগিয়ে রেখেছে।



বিএনপি যে কোনো সময় এভাবে নির্বাচন যে বর্জন করবে এটা খালেদা জিয়া ও দলের সিনিয়র নেতারা সবাই শুরু থেকেই জানতেন। এবারের সিটি নির্বাচনে তাদের এই কৌশলই ছিল। পরাজয় হচ্ছে বুঝতে পারলে একটি মওদুদীয় সূত্র তাদের আগে থেকেই তৈরি করা ছিল। ৫ জানুয়ারি থেকে লাগাতার হরতাল অবরোধ দিয়ে, সাধারণ মানুষকে পেট্রোলবোমা ছুঁড়ে মেরে যে দলটি জনগণ থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সেই দলের একমাত্র হার্টকোর্ড কর্মী ছাড়া তাবিথ আউয়ালের এরচেয়ে বেশি ভোট পাওয়াটাই বরং আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হতো।



তাবিথ আউয়ালের পরিচয় আমার মত গোটা ঢাকাবাসীই জেনেছে এবার এই নির্বাচনের সময়। শুধুমাত্র দলকানা বিএনপি সমর্থকরাই এমন একজন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে। আমার মত যারা সাধারণ নাগরিক, যারা আওয়ামীলীগ বা বিএনপি বা কোনো দল করে না, তারা কেউ তাবিথকে ভোট দেয়নি। বরং তাদের অনেকের ভোট আনিসুল হক যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবেই পেয়েছেন।



রাজনীতিতে এখন ইনিয়েবিনিয়ে যাই বলা হোক, ঢাকা সিটি উত্তরে আনিসুল হক বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজয়ী হতেন। বরং সিটি নির্বাচন উপলক্ষ্যে খালেদা জিয়া স্বয়ং রাস্তায় বের হবার একটি এক্সিট পেয়েছেন। সরকার সেই পথটি করে দিয়েছে। নইলে তাকে জেলেই থাকতে হতো। আমরা দেখেছি জিয়া অরফানেজ মামলায় কোর্টের গ্রেফতারি পরোয়ানা গুলশানে যেতে কত সময় লেগেছে। সেই হিসেবে খালেদা জিয়ার উচিত এখন জনাব এম মঞ্জুর আলমের মত রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া।



সিটি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ক্ষমতাসীন দল হয়েও যেভাবে আগ্রাসী ভূমিকা পালন করেছে, যা আমার মত সাধারণ নাগরিকের পছন্দ হবার কথা নয়। বিএনপি তাদের আচরণের কারণেই নির্বাচনে পরাজিত হতো। তেমন একটি ধ্বজভঙ্গ বিএনপি'র বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ যেভাবে ক্ষমতার মহড়া দেখিয়েছে, সেটি গণতন্ত্রের জন্য মোটেও শুভ ইঙ্গিত করে না।



নির্বাচন কমিশন যে এখনো ঢাল নাই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার, সেটি আর নতুন করে বলার কিছু নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কোনো ক্ষমতাসীন দলই এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে এরকম ঠুঁটো জগন্নাথ হিসেবেই কামনা করে। আর যতদিন নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হবে না, ততদিন বাংলাদেশে ভোটের এই বিদ্যমান কালচারের কোনো পরিবর্তন আশা করা একেবারেই যায় না।



ভোটে জামানত হারানো প্রার্থীরা যাদের পোলিং এজেন্ট দেবার মতও এখনো সামর্থ তৈরি হয়নি, তাদের থেকে এখন নির্বাচন শেষে বড় বড় বাণী বা টকশোতে ক্যারিকাচার শোনার মত সময় হয়তো কোনো সুস্থ মানুষ মন থেকে গ্রহণ করবে না। তাদের জন্য একটা ছোট্ট উপদেশ, আগে ৫৮৯২ জন পোলিং এজেন্ট দেবার মত সামর্থ অর্জন করেন, তারপর নির্বাচনে প্রার্থী হন। তাহলে ভবিষ্যতে হয়তো জামানত বাজেয়াপ্ত হবে না।



ঢাকা সিটি উত্তরের নবনির্বাচিত মেয়র জনাব আনিসুল হক, আপনাকে অভিনন্দন। আশা করি, নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আপনি ঢাকাকে গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করবেন। নইলে পাঁচ বছর পর আপনাকে চট্টগ্রামের প্রাক্তন মেয়র জনাব এম মঞ্জুর আলমের মত রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে হতে পারে।



সো, সাধু সাবধান!


রেজা ঘটক, সাহিত্যিক, নির্মাতা

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আতাহার টিটো আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ১৫ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ১৭ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইকরাম উদ্দিন খান চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ২৭ ইয়ামেন এম হক এনামুল হক এনাম ১৯ এমদাদুল হক তুহিন ১৮ এস এম নাদিম মাহমুদ ১২ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩০ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী গোঁসাই পাহ্‌লভী ১২ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৬ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৪৮ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ১৭ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ১৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩১ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৪ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ৫৭ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৭১ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ৫৩ রাজেশ পাল ১১ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১২ শাশ্বতী বিপ্লব শাহাব উদ্দিন চঞ্চল শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১০ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৪ সাব্বির হোসাইন সাহাদুল সুহেদ সুপ্রীতি ধর সুশান্ত দাস গুপ্ত

ফেসবুক পেইজ

আর্কাইভ