আজ সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং

প্রসঙ্গ তিন সিটি করপোরেশান নির্বাচন : টক-ঝাল-মিষ্টি, পর্ব-৩

 প্রকাশিত : ২০১৫-০৫-০২ ০০:১৯:১৫

লেখক : রেজা ঘটক

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চন্দ্রনাথ কন্যা রূপসী চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের আলোচনায় যাবার আগে চলুন কিছু পরিসংখ্যানে একটু চোখ বুলানো যাক।



চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশান :
মেয়র প্রার্থী ১২ জন, কাউন্সিলর পদে সাধারণ ২১৩ জন, কাউন্সিলর সংরক্ষিত আসনে ৬১ জন, সাধারণ ওয়ার্ড সংখ্যা ৪১টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪টি।, মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭১৯টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৪৯০৬টি, অস্থায়ী ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৩টি, অস্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা ৪৫২টি, মোট ভোটার সংখ্যা ১৮,১৩ ৪৪৯ জন, পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯,৩৭,৫৩ জন, নারী ভোটার সংখ্যা ৮,৭৬ ৩৯৬ জন।



চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থীরা হলেন: মোহাম্মদ মনজুর আলম, আ জ ম নাছির উদ্দীন, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো: শফিউল আজম, সৈয়দ সাজ্জাদজোহা, আরিফ মইনুদ্দীন, এম এ মতিন, সোলায়মান আলম শেঠ, মো. আলাউদ্দিন চৌধুরী, হোসাইন মোহাম্মদ মুজিবুল হক, সাইফুদ্দিন আহমেদ (রবি) এবং মো. ওয়াজেদ হোসেন ভূঁইয়া।



নির্বাচনী ফলাফল:
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিন। মোট ৭১৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে হাতি প্রতীক নিয়ে নাছির পেয়েছেন ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬১ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এম মনজুর আলম কমলা লেবু প্রতীকে পেয়েছেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৮৩৭ ভোট।



চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে অন্যান্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামীফ্রন্টের এম এ মতিন (চরকা) ১১,৬৫৫ ভোট, ওয়ায়েজ হোসেন ভুঁইয়া (টেবিল ঘড়ি) ৯,৬৬৮ ভোট, জাতীয় পার্টি সমর্থিত সোলায়মান আলম শেঠ (ডিশ অ্যান্টেনা) ৬,১৩১ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্টের হোসাইন মোহাম্মদ মুজিবুল হক শুক্কুর (ময়ূর) ৪,২১৫ ভোট, সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি (ফ্লাক্স) ২,৬৬১ ভোট, গাজী মো. আলাউদ্দিন (টেলিস্কোপ) ২,১৪৯ ভোট, বিএনএফের ‍আরিফ মঈনুদ্দিন (বাস) ১,৭৭৪ ভোট, আবুল কালাম আজাদ (দিয়াশলাই) ১,৩৮৫ ভোট, সৈয়দ সাজ্জাদ জোহা (ক্রিকেট ব্যাট) ৮৪৫ ভোট এবং শফিউল আজম (ইলিশ) ৬৮০ ভোট পেয়েছেন।



ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, মনজুর আলম আর নাছির উদ্দিনের মধ্যেই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। যদিও নির্বাচন বর্জন করায় নাছির উদ্দিন এক লাখ ৭০ হাজার ৫২৪ ভোটের ব্যবধানে মনজুর আলমকে পরাজিত করেছেন। কিন্তু মনজুর আলম নির্বাচন বর্জন না করলে এই ব্যবধান হয়তো আরো কমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতো।



এসএসসি পাস মনজুর আলম অনেকটা একজন গোবেচারা টাইপের ভদ্রলোক। যার রাজনৈতিক গুরু হলেন আওয়ামীলীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। মহিউদ্দিন চৌধুরী যখন চট্টগ্রামের মেয়র, তখন তিনি ছিলেন একজন কমিশনার। পরে ২০১০ সালের ১৭ জুনের নির্বাচনে বিএনপি'র সমর্থন পেয়ে গুরুকে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চট্টগ্রামের মেয়র হয়েছিলেন। কিন্তু মনজুর আলম মেয়র নির্বাচিত হয়েও কখনো গুরুর বিরুদ্ধে কিছু করেননি। বরং গুরুর কথা মত চট্টগ্রাম সিটির কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।



সে তুলনায় বরং স্নাতক পাস নাছির উদ্দিন তুলনামূলকভাবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত অনেকটা তরুণ প্রার্থী। যিনি একজন ক্রীড়া সংঘটক ও ছাত্রনেতা থেকে বর্তমানে চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তিনি একজন সহ-সভাপতি। সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনজুর আলমকে টেক্কা দেবার মত তুখোড় তরুণ নেতা। চট্টল্লার জলাবদ্ধতার দায় মনজুর আলমের ঘাড়ে চাপিয়ে যিনি চট্টল্লাবাসীর কাছে আলোড়ন তুলেছেন।



অন্যদিকে ২৮ এপ্রিলের নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতে মনজুর আলম আরেকটু সময় নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দলের সিনিয়র নেতাদের চাপাচাপিতে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেওয়ার সময় ক্ষোভ আর হতাশায় তিনি রাজনীতি থেকেই বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দেন। বিএনপি নেতারা ভাবতেই পারেননি, নির্বাচন বর্জনের কথা বলতে গিয়ে রাজনীতি বর্জনেরও ঘোষণা দেবেন মনজুর আলম! এ ঘোষণায় হতবাক হওয়ার পাশাপাশি বিব্রত অবস্থায় পড়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।



প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কোনো মিডিয়ায় বিএনপি'র বড় বড় নেতাদের ভোট দেবার কোনো ছবি দেখলাম না কেন? তিন সিটিতে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে বিএনপি সমর্থকদের কোনো নির্বাচনী ক্যাম্প ছিল না কেন? ভোটকেন্দ্রে বিএনপি সর্বত্র পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিল না কেন?



মন্তব্য: ভোটারদের জন্য সাধারণত ভোটার নাম্বার খুঁজে দিতে প্রত্যেক প্রার্থীর কেন্দ্রের আশেপাশে নির্বাচনী ক্যাম্প থাকে। ভোটাররা সেখান থেকে ভোটার নাম্বার সংগ্রহ করেন। বিএনপি'র প্রার্থীরা কেন এবার সেই সৌজন্যতা দেখালো না? এসব অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর হল, বিএনপি'র হাইকমান্ড থেকে একেবারে পাতিনেতা পর্যন্ত সবাই ভোটের দিন সকাল থেকেই তাদের ভোট বর্জনের বিষয়টি জানতেন। যেহেতু ভোট বর্জন করা হবে, তাই আর আগ মারিয়ে কেউ বাড়তি দায়িত্ব পালন করেনি।



আচ্ছা মওদুদ কি ঢাকার ভোটার? কোন কেন্দ্রে মওদুদ ভোট দিতে গেছিল? মির্জা আব্বাস কি নিজের ভোট দিয়েছিল? কোন কেন্দ্রে দিয়েছিল? তার কোনো ছবি প্রথম আলো'র কাছে নাই কেন? আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কোন কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন? তার কোনো ছবি পত্রিকায় নাই কেন? আবদুল্লাহ আল নোমান কোন কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন? সেই ছবি পত্রিকায় নাই কেন? আবদুল আউয়াল মিন্টু কোন কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন? সেই ছবি পত্রিকায় নাই কেন? মির্জা আব্বাসের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা কোন কোন কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন? সেই ছবি প্রথম আলোতে নাই কেন? যার বিয়ে তার খবর নাই, পাড়াপরশির ঘুম নাই। মির্জা সাহেব কোথায় লুকিয়ে আছেন? কেউ জানেন কি?



মনজুর আলম ভোট বর্জনের আগে আরো সময় কেন নিতে চেয়েছিলেন? হঠাৎ এভাবে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর ঘোষণা দেবার রহস্য কি? তাহলে কি বিএনপি'র হাই-কমান্ডের ইচ্ছাকে সায় দিতে গিয়ে বলি হওয়াটা মানতে না পারার ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন?



বিএনপি সিটি নির্বাচনকে ব্যবহার করে বহির্বিশ্বে মূলত দুইটি বার্তা দিতে চেয়েছে। নাম্বার এক, দেখো আমরা নির্বাচনমুখী একটা দল। দলীয় সরকারের অধীনে সিটি নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করলাম। বেগম খালেদা জিয়া পর্যন্ত রাস্তায় রাস্তায় ভোট ভিক্ষা করে সেই নাটক জায়েজ করার চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনের আগের দিন বেগম জিয়া সংবাদ সম্মেলনে যে রহস্যময় হাসি হাসি ভাব দেখালেন, তখন থেকেই তারা জানতেন ভোট বর্জন কখন কিভাবে করবেন। ভোটের মাধখান থেকে ভোট বর্জন করে দ্বিতীয় যে বার্তাটি তারা দিতে চেয়েছেন তা হল, হে বিশ্ববাসী এই দেখো, আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হয় না। তার মানে আমরা বিএনপি যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে প্রথম থেকেই আন্দোলন করে আসছি, সেই দাবি দেখো কতোটা ন্যায্য দাবি!!


 

কিন্তু এতোসব ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে বিএনপি তার আসল চেহারাটাই প্রকাশ করেছে। নির্বাচনে তাদের কোনো বিশ্বাস নাই। বন্দুকের নল দিয়ে ক্ষমতায় যাবার পর যে দলটি বন্দুকের নলকেই ক্ষমতার উৎস মনে করে, তার তো নির্বাচন নিয়ে কখনো মাথা ব্যথা হবার কথা না। ষড়যন্ত্র করে যেনোতেনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়াই বিএনপির মূল লক্ষ্য। তাই মুখে নির্বাচনের কথা বললেও এই দলটির নির্বাচনের প্রতি কোনো আস্থা নেই।



নির্বাচনে সাধারণ জনগণের সাথে ভোটারদের সাথে যে ধরনের স্বাভাবিক সৌজন্যতা দেখানোর কথা, দলীয় নেতাকর্মীদের যে ধরনের একটিভিটিজ থাকার কথা, সেগুলো ছিল ভোটের দিন সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে অনুপস্থিত। সিটি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে বিগত তিনমাসের পেট্রোলবোমা হরতাল অবরোধের ঘটনাকে কিছুটা চাপা দেওয়া গেছে বটে। জনগণের কাছাকাছি যাবার সুযোগও তৈরি করা গেছে। খালেদা জিয়া রাস্তায় বেরোতে পারছেন। এসব কি খুব কম অর্জন? সেই সুযোগে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচন উপলক্ষ্যে কিছুটা গোছানো গেছে। যা আগামীতে আন্দোলন সংগ্রাম করতে দলকে চাঙ্গা রাখতে ব্যবহার করা যাবে। তাই সিটি নির্বাচনে ভোট বর্জন বা হারা কোনোটাই বিএনপিকে বিব্রত করেনা বরং এটা বিএনপি'র জন্য একটা সুযোগ তৈরি করেছে আরো কিছুদিন দলটিকে লাইফসাপোর্ট দিয়ে আইসিইউতে বাঁচিয়ে রাখার।



যে দলটি গুহায় বসে গুপ্ত স্থান থেকে আন্দোলন করেছে। জনগণের কাছাকাছি যাবার যার কোনো সুযোগই ছিল না। সিটি নির্বাচনকে ঘিরে গুহা থেকে কিছুটা হলেও বের হওয়া গেছে। এতো মোটেও কম অর্জন নয়। বিএনপি এখন পত্রপত্রিকায় আর মিডিয়ার টকশো আর উচ্চবাচ্যেই কেবল ধুকধুক করে জীবিত আছে। মিডিয়ার মাধ্যমে এখনো বিএনপি বেঁচে আছে। মিডিয়া না থাকলে বিএনপি এতোদিন মুসলিম লীগের মত অবস্থা বরণ করত। এই দেশে মুসলিম লীগের করুণ বিলুপ্তির খবর কি আমারা জানি না?



বিএনপি তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য শেষ সময়ের শেষ চেষ্টাটা করছে এখন। হয়তো সেই দিন আর বেশি দূরে নয় মনজুর আলমের মত গোটা বিএনপি দলটিই রাজনীতি থেকে অবসর নেবে। কারণ তারা কি পরিমাণ অপরাধ করেছে তা তারা একশোভাগ নিশ্চিত করেই জানে। সরাসরি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে তারা আন্দোলনের নামে যুদ্ধ করেছিল। এখনো হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের কথা প্রথম আলো ভুলে যায় কি করে? বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু বার্ন ইউনিটের আর্ত চিৎকার এখনো শুনতে পায়। তাই বিএনপি পালানোর যে পথটি খুঁজেছিল, সিটি নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সেই আশা শতভাগ পূর্ণ হয়েছে। আর তারাও দলের শক্তিমত্তা যাচাই করার জন্য একটি এসিড টেস্ট করার সুযোগ পেয়েছিল। যা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বাংলাদেশে আর দশ বিশ বছর পরে বিএনপি নামে কোনো রাজনৈতিক দল খুঁজে পেতে মাইক্রোস্কোপ লাগবে।



জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে, আইএসআইএস, আলকায়েদার সঙ্গে হাত মিলিয়ে যে বাংলাদেশে ক্ষমতায় যাওয়া গেল না। জিয়াপুত্র তারেকের সকল রাজনৈতিক কৌশল যে ভুল ছিল, তা বেগম জিয়া ইতোমধ্যে টের পেয়েছেন। এই রাজনৈতিক ভুলের কারণে বিএনপি এখন অস্তিত্ব সংকটের মধ্যেই আগামী কিছুদিন ধুক ধুক করে বাঁচবে। নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে বলে নতুন করে আন্দোলন সংগ্রাম করার মত শক্তি বিএনপি'র আর নেই। নইলে ভোট বর্জনের মুহূর্তেই ধুর্ত মওদুদ হরতাল ডাকতে এক পারসেন্টও ভুল করতো না। আবার হরতাল ডাকলে যে আরো ভয়াবহ পরিণতি হবে, এটা মওদুদগংরা খুব ভালো করেই জানেন।



এখন মিডিয়ার কল্যাণে বিএনপি যতদিন ইতিহাসে বেঁচে থাকে, সেটাই বিএনপির একমাত্র চাওয়া। বেগম জিয়া যতদিন বেঁচে আছেন ততদিন মিডিয়ার মাধ্যমে এভাবেই দলটি বেঁচে থাকার চেষ্টা করবে। তারপর আর এই দলকে বাংলাদেশে দেখা যাবে না। ওটা মুসলিম লীগের মত ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে ঠাই নেবে। তবে সিটি নির্বাচনে যোগ দিয়ে বেগম জিয়া দলটির আয়ু কিছুদিন বাড়ালেন বটে। মাত্র তিন সিটি নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের পাশে নির্বাচনী ক্যাম্প করার মত সক্ষমতা যে দলটির নেই, সেই দলটির মিডিয়ার কাছে মিথ্যা ঝাড়িঝুড়ি বানোয়াট গল্প, গুজবকে মানুষ এক সময় স্বাভাবিক নিয়মেই ভুলে যাবে।



২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিলের তিন সিটি নির্বাচন যে কারণে ভবিষ্যতে ইতিহাসের অংশ হবে সেটি হল, এই নির্বাচনের মাধ্যমেই বিএনপি বাংলাদেশে তাদের রাজনৈতিক মৃত্যুর বার্তা পেয়েছে। বাংলার মানুষ যে বিএনপিকে, বিএনপির ভুল রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে, সেটা পুরোপুরি বুঝার জন্য বেগম জিয়ার হয়তো এটাই বাংলাদেশে শেষ নির্বাচনে যাওয়ার উদাহরণ হয়ে থাকবে। তাই নিজেই রাস্তায় নেমে শেষ চেষ্টা করে দেখেছেন। কিন্তু যথা পূর্বং তথাই পরং। পাপ ছাড়ে না বাপেরেও। এই শিক্ষা বিএনপি এই সিটি নির্বাচন থেকে হাড়ে হাড়ে শিখল।

রেজা ঘটক, সাহিত্যিক, নির্মাতা

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আতাহার টিটো আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ১৫ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ১৭ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইকরাম উদ্দিন খান চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ২৭ ইয়ামেন এম হক এনামুল হক এনাম ১৯ এমদাদুল হক তুহিন ১৮ এস এম নাদিম মাহমুদ ১২ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩০ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী গোঁসাই পাহ্‌লভী ১২ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৬ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৪৮ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ১৭ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ১৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩১ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৪ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ৫৭ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৭১ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ৫৩ রাজেশ পাল ১১ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১২ শাশ্বতী বিপ্লব শাহাব উদ্দিন চঞ্চল শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১০ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৪ সাব্বির হোসাইন সাহাদুল সুহেদ সুপ্রীতি ধর সুশান্ত দাস গুপ্ত

ফেসবুক পেইজ

আর্কাইভ